সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আর মাত্র ৪/৫দিন; আছে কেউ ? নিবে ৫০লক্ষ টাকা !

আর মাত্র ৪/৫দিন; আছে কেউ ? নিবে ৫০লক্ষ টাকা !


তারাবীহর নামায ২০ রাকাত ও তার দলিল

*
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন : নিঃসন্দেহে হযরত নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযান মাসে বিতর নামায ব্যতীত বিশ রাকাত তারাবীহর নামায পড়েছেন; (ইবনে আবুশায়বাহ ২/১৬৪: ৭৬৯২, তিবরানী: মুজামুল আওসাত: ১/২৪৩নং ৭৯৮, ৫/৩২৪নং ৫৪৪০, মুজামুল কবীর; ১১/৩৯৩নং ১২১০২, রায়হাকী, সুনানুল কুবরা; ২/৪৯৬নং ৪৩৯১, আবদ ইবনে হুমায়িদ মুসনাদ: ১/২১৮নং ৬৫৩, তারিখে বাগদাদ, মাজমাউজ য়াওয়ায়েদ, তামহীদ, ফাতহুল বারী, দেরায়াহ, তানভীরুল হাওয়ালিক, মিযানুল ইতিদাল, সুবুলুস সালাম, তাহজীবুল কামাল, মাওজাউল আহজাম, নাছবুর রাইয়াহ, শারহ আলাল মুআত্তা, আউনুল মাবুদ; তুহফাতুল আহওয়াজী)

*
হযরত সায়েব ইবনে ইয়াজিদ বলেন যে, আমরা হযরত উমর (রা.)-এর শাসনকালে ফজরের কাছাকাছি সময় তারাবীহর নামায থেকে অবসর নিতাম, আর আমরা বিতরসহ তেইশ রাকাত নামায পড়তাম। (মুসনাফে আবদুর রাজ্জাক ও ইবনে হাযাম)

*
হযরত সায়েব ইবনে ইয়াজিদ থেকে বর্ণিত আছে যে, হযরত ওমর (রা.)-এর আমলে হযরত সাহাবায়ে কেরাম (রা.) রমযান মাসে বিশ রাকাত তারাবীহর নামায পড়তেন। (বায়হাকী, ফারইয়াবী ও ইবনে জাদ, তুহফাতুল আহওয়াযী)

* হযরত আবু খাছীব বর্ণনা করেন যে, হযরত সুয়ায়িদ ইবনে গাফলাহ (রা.) আমাদেরকে পাঁচ তারবিহাহ (অর্থাৎ বিশ রাকাত) নামায পড়াতেন। (বায়হাকী, ইমাম বুখারী : আল কুনা)

* হযরত সুতাইর ইবনে শাকাল থেকে বর্ণিত আছে, আর তিনি হযরত আলী (রা.)-এর সঙ্গী ছিলেন- তিনি বলেন, হযরত আলী (রা.) রমযান মাসে বিশ রাকাত তারাবীহ ও তিন রাকাত বিতর নামায পড়তেন। (ইবনে আবু শায়বাহ, বায়হাকী)।

*
হযরত আবদুর রহমান সুলামী থেকে বর্ণিত আছে যে, হযরত আলী (রা.) রমযান মাসে ক্বারীদেরকে ডাকলেন এবং তাদের মধ্যে একজনকে লোকদের নিয়ে বিশ রাকাত তারাবীহর নামায পড়ানোর হুকুম দিলেন। আর হযরত আলী (রা.) নিজেই বিতর নামায পড়াতেন (বায়হাকী, তুহফাতুল আহওয়াজী)

*
হযরত আবুল হাসানায়ি বর্ণনা করেন যে, হযরত আলী (রা.) ইবনে আবু তালেব এক ব্যক্তিকে পাঁচ তারবিহাহ-এ বিশ রাকাত নামায পড়ানোর হুকুম দিয়েছিলেন (আবু শায়বা, বায়হাকী, তামহীদ, তুহফাতুল আহওয়াজী, সুবুলুস সালাম, ইবনে কুদামা)

*
এক বর্ণনায় আছে যে, হযরত আলী (রা.) বিশ রাকাত তারাবীহ ও তিন রাকাত বিতর নামায পড়তেন। (সুবুলুস সালাম, ইবনে কুদামা)

*
হযরত আলী (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি এক ব্যক্তিকে রমযান মাসে বিশ রাকাত তারাবীহর নামায পড়ানোর হুকুম দিয়েছিলেন আর এ সংখ্যা বিতর ব্যতীত। (ইবনে আব্দুল বার, তামহীদ)

*
হযরত ইয়াহইয়া ইবনে সায়ীদ থেকে বর্ণিত আছে যে, নিঃসন্দেহে হযরত উমর (রা.) এক ব্যক্তিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, তিনি যেন মুসলমানদেরকে বিশ রাকাত তারাবীহ পড়ান (ইবনে আবু শায়বা, তুহফাতুল আহওয়াজী)

*
হযরত নাফে ইবনে উমর বর্ণনা করেন যে, হযরত ইবনে আবু মালিক (রা.) আমাদেরকে বিশ রাকাত তারাবীহ পড়িয়েছেন। (ইবনে আবু শায়বা)

*
হযরত আবদুল আজীজ ইবনে রাফী বর্ণনা করেন যে, হযরত উবাঈ ইবন কাব (রা.) মদীনা মুনাওয়ারায় রমযান মাসে লোকদেরকে বিশ রাকাত তারাবীহ ও তিন রাকাত বিতর নামায পড়িয়েছেন (ইবনে আবু শায়বা, তুহফাতুল আহওয়াজী)

*
হযরত হারেস থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি রমযান মাসে রাতে বিশ রাকাত (তারাবীহর নামায) ও তিন রাকাত বিতর নামায পড়াতেন। আর তিনি রুকুর আগেই দোআ কুনুত পড়তেন। (ইবনে আবু শায়বা)

*
হযরত আবুল বুখতারী থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি রমযান মাসে পাঁচ তারাবীহ (অর্থাৎ বিশ রাকাত) ও তিন রাকাত বিতর নামায পড়তেন। (ইবনে আবু শায়বা)
*
হযরত আতা বলেন যে, আমি লোকদেরকে বিতরসহ তেইশ যাকাত তারাবীহর নামায পড়তে দেখেছি। (ইবনে আবু শায়বা)

*
হযরত সায়ীদ ইবনে উবায়েদ থেকে বর্ণিত আছে, যে হযরত আলী ইবনে রাবিয়া (রা.) রমযান মাসে পাঁচ তারাবীহ (অর্থাৎ বিশ রাকাত) নামায ও তিন রাকাত বিতর পড়েছেন। (ইবনে আবু শায়বা)

* হযরত হাসান বসরী (রহ.) থেকে বর্ণিত আছে যে, নিঃসন্দেহে হযরত উমর ইবনে খাত্তাব (রা.) লোকদেরকে হযরত উবাঈ ইবনে কা (রা.)-এর পিছনে রমযান মাসে নামায পড়ার জন্য একত্রিত করেছিলেন। আর হযরত উবাঈ (রা.) বিশ রাকাত তারাবীহ পড়িয়েছিলেন। (ইমাম জাহাবী, সিয়ারু আলামুন নুবালা, আসকালানী : তালখীসুল যুবায়ের, ইবনে কুদামা, মালেক : আল মাদুনাতুল কুররাসুয়ুতী; তানভীরুল হাওয়ালেক, যুরকানীশরহ আলাল উতামি, ইমাম ইবনে তাইমিয়া: মাজমুউল ফাতওয়া)

*
হযরত জাফরানী ইমাম শাফী থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, আমি মদীনায় ঊনচল্লিশ এবং মক্কায় তেইশ রাকাত বিশ রাকাত তারাবীহ ও তিন রাকাত বিতর নামায পড়তে দেখেছি। (ফাতহুল বারী, নাইলুল আওতার)

*
হযরত ইবনে রুশদ কুরতুবী বর্ণনা করেন যে, হযরত ইমাম মালেক (রহ)-এর দুটি মতের একটিতে এবং ইমাম আবু হানিফা, ইমাম শাফী, ইমাম আহমাদ ও ইমাম দাউদ জাহেরী (রহ.) বিশ রাকাত তারাবীহ পড়া পছন্দ করতেন। আর তিন রাকাত বিতর পৃথকভাবে পড়তেন। এমনিভাবে ইমাম মালেক (রহ.) হযরত ইয়ায়িদ ইবনে রুমান (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন হযরত উমর ইবনে খাত্তাব (রা.)-এর সময়ে লোকেরা বিতরসহ তেইশ রাকাত তারাবীহর নামায পড়ত। (ইবনে আবু রুশদ, বিদায়াতুল মুজতাহিদ)

*
হযরত শায়খ ইমাম ইবনে তাইমিয়া (রহ.) তার ফতওয়ায় (মাজমুয়াহ ফাতওয়া) বলেন যে, এটি প্রমাণিত যে, হযরত উবাঈ বিন কাব (রা.) রমযান মাসে লোকদের নিয়ে বিশ রাকাত তারাবীহ ও তিন রাকাত বিতর নামায পড়েছেন; কাজেই অধিকাংশ আলেম এটিকে সুন্নত হিসেবেই মেনে নিয়েছেন। এটি এ জন্য যে, তিনি মুহাজির ও আনসার সকল সাহাবীদের মধ্যে তাদের উপস্থিতিতেই নামায পড়তেন। অর্থাৎ (বিশ রাকাত পড়তেন) আর সাহাবায়ে কেরামের কেউ কখনও তার প্রতিবাদ কারেননি। (ইমাম ইবনে তাইমিয়া: মাজমুউল ফাতওয়া, ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মদ আনসারী; তাসহীহ)

*
মাজমুয়াহ ফাতওয়া নাজদিয়ায় আছে যে, শায়খ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব তারাবীহ নামাযের রাকাত সংখ্যার ব্যাপারে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন যে, যখন হযরত উমর (রা.) লোকদেরকে হযরত উবাঈ ইবনে কাব (রা.)-এর পিছনে তারাবীহর নামায পড়ার জন্য একত্রিত করেছিলেন, তখন তিনি বিশ রাকাত পড়িয়েছিলেন। (ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আনসারী; তাসহীহ)

*** উপরে বর্ণিত হাদীসসমূহ, সাহাবায়ে কেরামের আমল ও ইমামগণের অভিমত দ্বারা প্রমাণিত হচ্ছে যে, তারাবীহর নামায বিশ রাকাত পড়া সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ। এ ব্যাপারে উম্মতের ইজমা (ঐক্যমত) রয়েছে। কাজেই ২০ রাকাত তারাবীহ না পড়লে সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ আদায় হয় না। অথচ বর্তমানে কিছু ব্যক্তি তারাবীহর নামাযের রাকাত সংখ্যা আট বলে প্রচার করে সরলপ্রাণ মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত করছেন। তারা দলিল হিসেবে বুখারী শরীফে তাহাজ্জুদ নামায আধ্যায়ে বর্ণিত নিম্নোক্ত  হাদীসকে দলিল হিসেবে পেশ করছেন- হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, হযরত নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযান মাসে ও রমযান ছাড়া অন্যান্য সময়ে ফরয ছাড়া মোট এগারো রাকাতের অধিক নামায (রাত্রি বেলা) পড়তেন না। সচেতন পাঠক একটু লক্ষ্য করলেই বুঝতে পারবেন যে, এখানে আট রাকাত তাহাজ্জুদ ও তিন রাকাত বিতর নামাযের কথা বলা হয়েছে। আর এই নামায হযরত নবী করীম সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযান মাসে এবং রমযান ছাড়াও অন্যান্য সময়ে সমানভাবেই আদায় করতেন। সুতরাং এ হাদীস দ্বারা তারাবীহর নামাযের রাকাত সংখ্যা আট বলে প্রচার করা খুবই বিভ্রান্তিকর। এরূপ বিভ্রান্তি থেকে মুসলমানদের সতর্ক হওয়া একান্ত কর্তব্য।



মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ভন্ড-বেদাতীর গোমরফাক ১ম পর্ব

রাসূল সা. হাজির নাজির কিনা ? প্রশ্ন: আস সালামু আলাইকুম , আশা করি ভাল আছেন , আমার প্রশ্ন , নবী করিম সা. হজির ও নাজির কি না ? যারা পক্ষে বলে তাদের দলিল হলো সূরা আহযাবের একটি আয়াতের শাহদান শব্দ। এই শব্দের ব্যখ্যা কি ? মেহেরবানী করে দলিল সহ উত্তর দিবেন।   উত্তর: হাজির ও নাজির শব্দদুটো আরবী। হাজির অর্থ বিদ্যমান বা উপস্থিত। আর নাজির অর্থ দ্রষ্টা। যখন এ শব্দ দুটিকে এক সাথে মিলিয়ে   ব্যবহার করা হয় তখন অর্থ হয় ঐ স্বত্তা যার অস্তিত্ব এক স্থানে সীমাবদ্ধ নয় , বরং তার অস্তিত্ব একই সময়ে গোটা দুনিয়াকে বেষ্টন করে রাখে এবং দুনিয়ার প্রত্যেকটি জিনিসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অবস্থা তার দৃষ্টির সামনে থাকে। পূর্বোক্ত ব্যখ্যা অনুসারে হাজির নাজির এটি একমাত্র আল্লাহ তায়ার সিফাত এবং তার জন্যই প্রযোজ্য , এমনকি নবী সা. বা কোন ওলী সব জায়গায় হাজির নাজির হতে পারে না। আল্লাহ তায়ালার সিফাতের সঙ্গে বান্দাকে মিলানো কুফর , শিরক ও চরম ভ্রষ্টতা। বিদাতীদের আক্বীদা মতে শুধু হুজুরে পাক সা. নন , বরং বুজুরগানে দ্বীনও পৃথিবীর সবকিছুকে হাতের তালুর মত দেখতে পান। তারা দূরের ও কাছের আওয়াজ শুনতে পান এবং হাজার হাজার মা...

ভন্ড পীরের গোমর ফাক-২য় পর্ব

মাজারে সিজদা করা বৈধ কি ??? জিজ্ঞাসা : এক. ফেরেস্তারা হযরত আদমকে যেভাবে সম্মানপূর্বক সিজদা করেছিল সেভাবে বর্তমান যামানায় ওলী-আউলিয়াদের মাজারে সিজদা করা বা মাথা ঝুকানো জায়েজ কি না? জায়েজ না হলে প্রমাণ কী? দুই. সুন্নত তরিকায় কবর জিয়ারতের পদ্ধতি কী? বিস্তারিত জানালে কৃতজ্ঞ থাকব। জবাব : এক. ইবাদতের উদ্দেশ্যে আল্লাহ ছাড়া কাউকে সেজদা করা বা মাথা নোয়ানো কোনো কালেই বৈ ধ ছিল না। তবে সম্মান জ্ঞাপনার্থে সেজদা করা মাথা নোয়ানো পূর্ববর্তী যুগে বৈধ ছিল। কিন্তু ইসলাম ধর্মে শিরকের গন্ধ পর্যন্ত মিটিয়ে খালেস তাওহিদ প্রতিষ্ঠার্থে সম্মান সূচক সেজদা ও মাথা নোয়ানোও হারাম করে দেয়া হয়েছে। তাই ইসলাম ধর্মে কোনো ব্যাখাতেই ওলী-আউলিয়াগণের মাজারে-দরবারে সেজদা করা বা মাথা ঝুকানোর অবকাশ নেই। ফেরেস্তাগণ কর্তৃক স্বয়ং আল্লাহ পাকের হুকুমে আদম আ. এর প্রতি সম্মান প্রকাশার্থে সেজদা করার বিষয়টি আসমানী জগতের সাথে সম্পৃক্ত। এটি উর্দ্ধ জগতের বৈশিষ্ট। তার সাথে দুনিয়ার জগতের বিধি বিধান তুলনীয় নয়। সুতরাং এ দ্বারাও বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। দুই. কবর জিয়ারতের ইচ্ছা হলে মুস্তাহাব হলো প্রথমে দুই ...

১০টি ইসলাম ধ্বংসকারী বিষয়

১০টি ইসলাম ধ্বংসকারী বিষয় প্রবন্ধটি পড়া হলে , শেয়ার করতে ভুলবেন না রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে- সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্য নিবেদিত। দরূদ ও সালাম অবতীর্ণ হোক সেই মহান নবীর উপর যার পরে আর কোন নবী নেই। আরো নাযিল হোক তাঁর পরিবার বর্গ , সহচর বৃন্দ এবং তাঁর হেদায়াতের অনুসারীদের উপর। অত:পর হে মুসলিম ভাই! এ কথা জেনে নিন যে , আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা সকল বান্দার উপর ইসলামে প্রবেশ করা , উহা আঁকড়ে ধরা এবং উহার পরিপন্থী বিষয় থেকে সতর্ক থাকা ফরজ করেছেন। আর নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সে দিকে আহবান করার জন্যই প্রেরণ করেছেন। আল্লাহ্‌ এই মর্মে ঘোষণা দিয়ে বলেন , যে ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর অনুসরণ করবে সে হেদায়াত প্রাপ্ত হবে পক্ষান্তরে যে তাঁর থেকে বিমুখ হবে সে পথভ্রষ্ট হবে। তিনি বহু আয়াতে মুরতাদ হওয়ার মাধ্যম , শির্ক ও কুফরীর সকল প্রকার হতে সতর্ক করেছেন। বিদ্যানগণ মুরতাদের বিধি-বিধান অধ্যায়ে এই মর্মে উল্লেখ করেছেন যে , একজন মুসলমান ব্যক্তির রক্ত ও ধন-সম্পদ হালাল কারী বিভিন্ন ইসলাম বিধ্বংসী কার্য কলাপ সম্পদনে...