সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

মন্ত্রিত্ব হারাচ্ছেন ইনু-নাহিদ-মহসিন!




মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে অবমাননা, হজ্ব, তাবলীগ জামায়াত প্রধানমন্ত্রী ও শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে কটূক্তি করার পর অব্যাহতপ্রাপ্ত ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীর ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার পাশাপাশি বর্তমান মন্ত্রিসভায় রদবদল এমনকি কয়েকজন মন্ত্রী বাদও পড়তে পারেন। এ নিয়ে সচিবালয়ে গুঞ্জন চলছে।
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সমাজকল্যানমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী ও শিক্ষামন্ত্রী নুরু ইসলাম নাহিদ রদবদল হতে পারেন এমনকি এদের কেউ বাদও পড়তে পারেন। আর ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীর ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে গেছে ইতিমধ্যে।
এর মধ্যে  তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু সরকারের নীতি নির্ধারক এমন কয়েকজন নেতা ও বর্তমান মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী কয়েকজন নেতার রোষানলে পড়েছেন বলে শোনা যাচ্ছে। এজন্যে তিনি মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন বলে গুঞ্জণ শোনা গেছে।
শিক্ষামন্ত্রী নুর ইসলাম নাহিদ বিতর্কিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কোন ফলপ্রসু সিদ্ধান্ত নিতে না পারায় ও তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ না করতে পারায় তিনিও অপসারণ হতে পারেন মন্ত্রিসভা থেকে । বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার ব্যাপারে নুরুল ইসলাম নাহিদ যে ধরনের মন্তব্য দিচ্ছেন তাতে তার বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চেইন অব কমান্ড ভাঙ্গার অভিযোগও রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ব্যাপারে বিদ্যমান পরীক্ষা ব্যবস্থার কড়া সমালোচনা করে নিজেই সমালোচিত হয়েছেন।
এদিকে সমাজকল্যান মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী বিভিন্ন রকম মন্তব্য, স্টেজে ধুমপান ও সাংবাদিকদের খবিস বলে গালিগালাজ করে আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছেন।
এদিকে আজ রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করছেন। পরিদর্শন শেষে তিনি যাবেন বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করতে। রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করার পর মন্ত্রিসভায় রদবদল ও অপসারণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
ইতিমধ্যে লতিফ সিদ্দিকীর পদত্যাগ বা তাকে অপসারণ সংক্রান্ত ফাইলটি বঙ্গভবনে পৌঁছে গেছে।

সুত্রঃ আমাদের সময়.কম

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ভন্ড পীরের গোমর ফাক-২য় পর্ব

মাজারে সিজদা করা বৈধ কি ??? জিজ্ঞাসা : এক. ফেরেস্তারা হযরত আদমকে যেভাবে সম্মানপূর্বক সিজদা করেছিল সেভাবে বর্তমান যামানায় ওলী-আউলিয়াদের মাজারে সিজদা করা বা মাথা ঝুকানো জায়েজ কি না? জায়েজ না হলে প্রমাণ কী? দুই. সুন্নত তরিকায় কবর জিয়ারতের পদ্ধতি কী? বিস্তারিত জানালে কৃতজ্ঞ থাকব। জবাব : এক. ইবাদতের উদ্দেশ্যে আল্লাহ ছাড়া কাউকে সেজদা করা বা মাথা নোয়ানো কোনো কালেই বৈ ধ ছিল না। তবে সম্মান জ্ঞাপনার্থে সেজদা করা মাথা নোয়ানো পূর্ববর্তী যুগে বৈধ ছিল। কিন্তু ইসলাম ধর্মে শিরকের গন্ধ পর্যন্ত মিটিয়ে খালেস তাওহিদ প্রতিষ্ঠার্থে সম্মান সূচক সেজদা ও মাথা নোয়ানোও হারাম করে দেয়া হয়েছে। তাই ইসলাম ধর্মে কোনো ব্যাখাতেই ওলী-আউলিয়াগণের মাজারে-দরবারে সেজদা করা বা মাথা ঝুকানোর অবকাশ নেই। ফেরেস্তাগণ কর্তৃক স্বয়ং আল্লাহ পাকের হুকুমে আদম আ. এর প্রতি সম্মান প্রকাশার্থে সেজদা করার বিষয়টি আসমানী জগতের সাথে সম্পৃক্ত। এটি উর্দ্ধ জগতের বৈশিষ্ট। তার সাথে দুনিয়ার জগতের বিধি বিধান তুলনীয় নয়। সুতরাং এ দ্বারাও বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। দুই. কবর জিয়ারতের ইচ্ছা হলে মুস্তাহাব হলো প্রথমে দুই ...

ভন্ড-বেদাতীর গোমরফাক ১ম পর্ব

রাসূল সা. হাজির নাজির কিনা ? প্রশ্ন: আস সালামু আলাইকুম , আশা করি ভাল আছেন , আমার প্রশ্ন , নবী করিম সা. হজির ও নাজির কি না ? যারা পক্ষে বলে তাদের দলিল হলো সূরা আহযাবের একটি আয়াতের শাহদান শব্দ। এই শব্দের ব্যখ্যা কি ? মেহেরবানী করে দলিল সহ উত্তর দিবেন।   উত্তর: হাজির ও নাজির শব্দদুটো আরবী। হাজির অর্থ বিদ্যমান বা উপস্থিত। আর নাজির অর্থ দ্রষ্টা। যখন এ শব্দ দুটিকে এক সাথে মিলিয়ে   ব্যবহার করা হয় তখন অর্থ হয় ঐ স্বত্তা যার অস্তিত্ব এক স্থানে সীমাবদ্ধ নয় , বরং তার অস্তিত্ব একই সময়ে গোটা দুনিয়াকে বেষ্টন করে রাখে এবং দুনিয়ার প্রত্যেকটি জিনিসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অবস্থা তার দৃষ্টির সামনে থাকে। পূর্বোক্ত ব্যখ্যা অনুসারে হাজির নাজির এটি একমাত্র আল্লাহ তায়ার সিফাত এবং তার জন্যই প্রযোজ্য , এমনকি নবী সা. বা কোন ওলী সব জায়গায় হাজির নাজির হতে পারে না। আল্লাহ তায়ালার সিফাতের সঙ্গে বান্দাকে মিলানো কুফর , শিরক ও চরম ভ্রষ্টতা। বিদাতীদের আক্বীদা মতে শুধু হুজুরে পাক সা. নন , বরং বুজুরগানে দ্বীনও পৃথিবীর সবকিছুকে হাতের তালুর মত দেখতে পান। তারা দূরের ও কাছের আওয়াজ শুনতে পান এবং হাজার হাজার মা...

ঈদ ঃ- ইসলাম ও আমরা

পবিত্র ঈদুল আযহা ও কুরবানীর শিক্ষা বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম ঈদুল আয্হা মুসলিম জাতির অন্যতম প্রধান ধমীয় উৎসব। ঈদুল আযহার অপর নাম কুরবানীর ঈদ। আরবী ‘ কুরবুন ’ থেকে ‘ কুরবানী ’ শব্দের উৎপত্তি। যার অথ ত্যাগের মাধ্যমে নৈকট্য লাভ। প্রতিবছর চান্দ্রমাসের ১০ যিলহজ্ব ঈদুল আযহা বিশ্বের মুসলমানদের নিকট উপস্থিত হয় কুরবানীর অফুরন্ত আনন্দ সওগাত ও ত্যাগের উজ্জ্বল মহিমা নিয়ে। এই মমে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ্ পাক ইরশাদ করেন , ‘ ফাসাল্লি লিরাবিবকা ওয়ানহার ’ অথাৎ তোমার প্রতিপালকের জন্য নামায পড় এবং কুরবানী কর। (সূরা আল-কাউসারঃ ২) হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে যে , সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ্ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করেন , ‘‘ এ কুরবানীগুলো কি ?’’ তিনি জবাব দিলেন , ‘ তোমাদের পিতা ইব্রাহিমের (আ.) সুন্নত। ’ ( ইবনে মাযাহ) ঈদুল আযহা বা কুরবানীর ঈদ পালনের সাথে একটি অনন্য পরীক্ষার ঘটনা বিজড়িত। আজ থেকে পাঁচ হাজার বছর পূর্বে মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইব্রাহিম (আ.) এর মাধ্যমে এ ধর্মীয় অনুষ্ঠান শুরু হয়।   হযরত ইব্রাহিম (আ.) এর জান-মাল ছিল আল্লাহ্ তা ’ আলার সন্তুষ্টি লাভের জন্য নিবেদিত। হযরত ইব্রাহিম (আ.) সর্বাপেক্ষ প্রিয়বস...